দুর্দান্ত ফিচার সম্পূর্ণ লঞ্চ হতে চলেছে Kawasaki Ninja 300, অভিনব বৈশিষ্ট্য গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন!
বাইক প্রেমিকেরদের জন্য দুর্দান্ত বাইক সামনে আসতে চলেছে যেটি আপনার প্রত্যাশা সম্পূর্ণ পূরণ করবে। অনেকেই রয়েছে যারা বাজেট বেশি বলে স্বপ্নের বাইক কিনতে পারেন না তাদের জন্য Kawasaki Ninja-র নতুন সংস্করণ আনতে চলেছে বিশেষ করে মধ্যবিত্তদের জন্য এই বাইকটি অনেকটাই স্বপ্ন পূরণের মতন। আপনি যদি হাইওয়েতে দ্রুতগতি সম্পন্ন বাইক চালাতে পছন্দ করেন তাহলে আপনার জন্য প্রথম পছন্দ হতে পারে এই বাইকটি। কাওয়াসাকি ইন্ডিয়া কোম্পানি তরফ থেকে এই নতুন বাইকটির মধ্যে অভিনব মাইলেজ সহ আরো কিছু দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য দেওয়া রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো এর প্রতিবেদনে।
বাজার মূল্য : ভারতে ২০২৬ কাওয়াসাকি নিঞ্জা ৩০০ এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ৩.১৭ লক্ষ টাকা থেকে। কলকাতা বা অন্যান্য শহরে অন-রোড দাম (RTO ও ইন্স্যুরেন্স সহ) প্রায় ৩.৬২ লক্ষ থেকে ৩.৬৪ লক্ষের মধ্যে হওয়ার কথা রয়েছে।
চাহিদা ও জনপ্রিয়তা:
Kawasaki Ninja 300 বাইকটি একটি স্পোর্টস বাইক। ইয়ং জেনারেশনকে এই বাইক খুবই আকৃষ্ট করবে। বাইকটি শক্তিশালী ২৯৬ সিসি ইঞ্জিন, নতুনত্ব স্পোর্টস ডিজাইন আরামদায়ক রাইডিং হওয়ার জন্য নতুন রাইডার টা কেউ এই বাইকটি আকর্ষিত করবে। সিটিতে যাতায়াত এবং হাইওয়েতে দ্রুত গতিতে যাতায়াতের জন্য চমৎকার হতে চলেছে এই বাইকটি। বর্তমানে এই বাইকটি জনপ্রিয়তা রয়েছে তুঙ্গে।
আরোও পড়ুন : Honda Activa 110 স্কুটারের দাম অনেকটাই কমছে! কত টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে? জানুন বিস্তারিত।
প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলো সহজ ভাষায় :
ডিজাইন : এই বাইকটি সবথেকে প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আক্রমণাত্মক স্পোর্টস লুক। বাইকটির হ্যান্ডেলিং এতটা নতুনত্ব করা হয়েছে যে যুব প্রজন্মকে আকর্ষিত করবে।
হেড ল্যাম্প : এই বাইকটিতে আধুনিক লোক দেওয়ার জন্য নতুন ধরনের LED হেডল্যম্প দেওয়া হয়েছে। যেটি অন্ধকার রাস্তাতেও আলোর মতন সমান দৃশ্যমানতা বজায় রাখবে।
উইন্ডস্ক্রিন : দ্রুত গতিতে যাতে রাইডার বাইক চালাতে পারে এবং তার জন্য যাতে বাতাসের ঝাপটা রাইডারকে সমস্যা না করতে পারে তার জন্য উইন্ডো স্ক্রিনের ডিজাইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
ইঞ্জিন : উন্নত শক্তিশালী ২৯৬ সিসি, প্যারালাল-টুইন, লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, এই বাইকটিতে।
পাওয়ার : এই বাইকটির ৩৮.৪ এইচপি (hp) শক্তি এবং ২৬.১ এনএম (Nm) টর্ক উৎপন্ন করার ক্ষমতা রাখে।
গিয়ারবক্স : ৬-স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত হওয়ায় অসতর্কতা বশত যে কোন বিপদ থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া যাবে। বিপদে সম্মুখীন হলে দ্রুত বাইক থামিয়ে দিতে পারবেন রাইডাররা।
স্লিপার ক্লাচ : দ্রুত গিয়ার ডাউনশিফটের প্রয়োজন হলে পেছনের চাকার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য স্লিপার ক্লাচ দেওয়া হয়েছে।
কাঠামো এবং ব্রেকিং সিস্টেম : বাইকটির কাঠামো তৈরি করা হয়েছে ডায়মন্ড-টাইপ ফ্রেম দিয়ে।
সাসপেনশন : সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পেছনে মনোশক দেওয়া হয়েছে।
ব্রেকিং : বাইকটির দুই চাকাতেই ডিস্ক ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ডুয়াল-চ্যানেল ABS দেওয়া রয়েছে। এর ফলে যে কোন বিপদের সম্মুখীন হলে নিরাপত্তা জনিত সুরক্ষা পাবে রাইডার। এছাড়াও সেমি-ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, ১৭ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল এবং প্রতিদিনের রাইডিংয়ের উপযোগী টায়ার এই বাইকটির মধ্যে নতুনত্ব লুক এনেছে।
কালার অপশন : ২০২৬ লঞ্চ হওয়া মডেলটি মূলত দুটি রঙে পাওয়া যাবে। একটি হলো লাইম গ্রিন ও ক্যান্ডি লাইম গ্রিন/এবনি।

Kawasaki Ninja 300 স্পিসিফিকেশন টেবিল:
| ইঞ্জিন | লিকুইড-কুলড, ৪-স্ট্রোক, প্যারালাল-টুইন |
| ডিসপ্লেসমেন্ট | ২৯৬ সিসি (296 cc) |
| সর্বোচ্চ শক্তি | ৩৯ PS @ ১১০০০ rpm |
| সর্বোচ্চ টর্ক | ২৬.১ Nm @ ১০০০০ rpm |
| গিয়ারবক্স | ৬-স্পিড |
| ফুয়েল ট্যাঙ্ক ক্ষমতা | ১৭ লিটার |
| মাইলেজ | ৩০ কিমি/লিটার |
| টপ স্পিড | ১৮২ কিমি/ঘন্টা |
| ব্রেক (ABS) | ডুয়াল-চ্যানেল ABS |
| ওজন | ১৭৯ কেজি |
| সিট হাইট | ৭৮৫ মিমি |
উপসংহার : বাইক প্রস্তুতকারী সংস্থা হিসাবে ইতিমধ্যেই দেশে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে কাওয়াসাকি ইন্ডিয়া কোম্পানি। বিশেষ করে যুব প্রজন্মের জন্য এ কোম্পানিটি নতুনত্ব ধরনের উচ্চ মাইলেজ সহ বাইক তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। শালা বিশ্বজুড়ে নিনজা সিরিজের বাইকের চাহিদা রয়েছে। কাওয়াসাকির পক্ষ থেকে নিনজা সিরিজের আরেকটি নতুন আপডেটেড সংস্করণ লঞ্চ করা হচ্ছে। যেটি আরও একাধিক নতুন ফিচারের সাথে বিশেষ করে যুব প্রজন্মের বাইকপ্রেমীদের মধ্যে এই কোম্পানিটির তৈরি করা মোটরসাইকেলগুলির জনপ্রিয়তা বিপুল। নিনজা সিরিজের বাইকগুলির দেশের বাজারে উচ্চ চাহিদা রয়েছে। এবার দেশের বাজারে বাইকপ্রেমীদের জন্য নতুন চমক নিয়ে এলো কোম্পানিটি। সম্প্রতি কাওয়াসাকির পক্ষ থেকে নিনজা সিরিজের একটি জনপ্রিয় বাইকের নয়া আপডেটেড সংস্করণ লঞ্চ করা হয়েছে। যেটি 300cc প্যারালাল টুইন স্পোর্টস বাইক হিসেবে নতুন প্রজন্মদের সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ করবে। হাইওয়েতে দ্রুতগতিতে বাইক চালাতে যদি আপনি পছন্দ করে থাকেন তাহলে দেরি না করে এই বাইকটি আপনি কেনার জন্য একদম ভাবনা চিন্তা করে ফেলুন।



